ফারাক্কা বাঁধের ফলে নদীর নাব্যতা হারানোর আশঙ্কায় ও পানির নায্য হিসসার দাবিতে ১৯৭৬ সালের এই দিনে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দান থেকে ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে লাখো জনতার সেই লংমার্চ রওনা হয় ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে। লংমার্চ শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশে বক্তব্য দেন মজলুম জননেতা। সেই থেকে ১৬ মে ফারাক্কা দিবস নামে পরিচিতি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে ১৮ কিলোমিটার উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর উপরে নির্মিত হয় ফারাক্কা বাঁধ।
ফারাক্কার প্রভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা, মহানন্দা, পাগলা ও পুনর্ভবা নদী এখন মৃতপ্রায়। স্থানীয়রা জানান, শুকনো মৌসুমে নৌকা চালানো যায় না, অথচ বর্ষায় হঠাৎ পানি ছাড়ায় তীব্র নদীভাঙন ও বন্যা দেখা দেয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন: “ফারাক্কার গেটগুলো একসাথে খুলে দিলে প্রচুর পরিমাণ পানি বাংলাদেশে প্রবেশ করে, ফলে পদ্মার পাড়ে তীব্র নদীভাঙন দেখা দেয়। এটি মোকাবিলায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীভাঙন রোধে বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মওলানা ভাসানীর স্বপ্ন পূরণ হবে এবং অবসান ঘটবে পাঁচ দশকের পানির হাহাকারের।
Reporter Name 









