চাঁপাইনবাবগঞ্জ ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
News Title :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে আবারও ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ, তদন্তে ৬ সদস্যের কমিটি গঠন। অনলাইন জুয়ার ফাঁদে রাতারাতি কোটিপতি মাহাফিজুর রহমান (নাজিম), নিঃস্ব হচ্ছে এলাকার তরুণরা চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে সার বেশি দামে বিক্রি ও অবৈধ মজুত: ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে কালভার্টে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ৩১০টি চোরাই ভারতীয় মোবাইলসহ নারী গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জে নাচোলের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কাদেরসহ গ্রেপ্তার ৪ অতিরিক্ত লোডশেডিং নিরসনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ডিসি অফিসে স্মারকলিপি
অনলাইন জুয়ার ফাঁদে রাতারাতি কোটিপতি মাহাফিজুর রহমান (নাজিম)

অনলাইন জুয়ার ফাঁদে রাতারাতি কোটিপতি মাহাফিজুর রহমান (নাজিম), নিঃস্ব হচ্ছে এলাকার তরুণরা

  • আবু সাইদ
  • Update Time : ০৫:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭৩ Time View

অনলাইন জুয়ার ফাঁদে রাতারাতি কোটিপতি মাহাফিজুর রহমান (নাজিম), নিঃস্ব হচ্ছে এলাকার তরুণরা

মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে অনলাইন জুয়ার এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার হাজারবিঘী (ভোলামারী ঘোষপাড়া) গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে মো. মাহাফিজুর রহমান (নাজিম)। অনলাইন জুয়ার অবৈধ মাধ্যমকে পুঁজি করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়া নাজিম এখন কাটাচ্ছেন বিলাসবহুল জীবন। রাজশাহী শহরের অভিজাত এলাকায় কিনেছেন কোটি টাকার প্লট ও ফ্ল্যাট। আর তার এই সর্বনাশা জুয়ার খপ্পরে পড়ে একে একে নিঃস্ব হচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তিন বছর আগে পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইন জুয়ায় জড়িয়ে পড়েন মাহাফিজুর রহমান নাজিম। ধীরে ধীরে ‘হেজি নাইস’ ও ‘ডিকে উইন’-এর মতো বিভিন্ন বেটিং সাইটের এজেন্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। টেলিগ্রাম গ্রুপকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলেন তার রমরমা নেটওয়ার্ক। বর্তমানে তার ওই টেলিগ্রাম গ্রুপে প্রায় ৩৮ হাজার সদস্য রয়েছে।
সপ্তাহের দুই দিন—সোম ও শুক্রবার লাইভে এসে অনুসারীদের দিকনির্দেশনা দেন মাহাফিজুর রহমান
নাজিম। বিভিন্ন লোভনীয় অফারের প্রলোভন দেখিয়ে কাস্টমারদের জুয়ায় বিনিয়োগ করান তিনি। আর এই অবৈধ কার্যক্রমের কমিশন বাবদ তার প্রতিদিন আয় হয় ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাজারবিঘী ও ভোলামারী ঘোষপাড়ার নিঃস্ব হওয়া কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, নাজিম এলাকার তরুণ ও ছাত্রসমাজকে জুয়ায় আসক্ত করে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাহাফিজুর রহমান নাজিমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। প্রথমে তার বাবা আনারুল ইসলাম এই বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন। তবে পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশ ঠেকাতে নাজিমের মামা মতিউর রহমান বিএল মুঠোফোনে প্রতিবেদককে ১ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, অনলাইনে জুয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। কেউ এ ধরণের প্লাটফর্ম তৈরি করলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

Write Your Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Save Your Email and Others Information

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে আবারও ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ, তদন্তে ৬ সদস্যের কমিটি গঠন।

অনলাইন জুয়ার ফাঁদে রাতারাতি কোটিপতি মাহাফিজুর রহমান (নাজিম)

অনলাইন জুয়ার ফাঁদে রাতারাতি কোটিপতি মাহাফিজুর রহমান (নাজিম), নিঃস্ব হচ্ছে এলাকার তরুণরা

Update Time : ০৫:৪৮:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে অনলাইন জুয়ার এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার হাজারবিঘী (ভোলামারী ঘোষপাড়া) গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে মো. মাহাফিজুর রহমান (নাজিম)। অনলাইন জুয়ার অবৈধ মাধ্যমকে পুঁজি করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়া নাজিম এখন কাটাচ্ছেন বিলাসবহুল জীবন। রাজশাহী শহরের অভিজাত এলাকায় কিনেছেন কোটি টাকার প্লট ও ফ্ল্যাট। আর তার এই সর্বনাশা জুয়ার খপ্পরে পড়ে একে একে নিঃস্ব হচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তিন বছর আগে পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইন জুয়ায় জড়িয়ে পড়েন মাহাফিজুর রহমান নাজিম। ধীরে ধীরে ‘হেজি নাইস’ ও ‘ডিকে উইন’-এর মতো বিভিন্ন বেটিং সাইটের এজেন্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। টেলিগ্রাম গ্রুপকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলেন তার রমরমা নেটওয়ার্ক। বর্তমানে তার ওই টেলিগ্রাম গ্রুপে প্রায় ৩৮ হাজার সদস্য রয়েছে।
সপ্তাহের দুই দিন—সোম ও শুক্রবার লাইভে এসে অনুসারীদের দিকনির্দেশনা দেন মাহাফিজুর রহমান
নাজিম। বিভিন্ন লোভনীয় অফারের প্রলোভন দেখিয়ে কাস্টমারদের জুয়ায় বিনিয়োগ করান তিনি। আর এই অবৈধ কার্যক্রমের কমিশন বাবদ তার প্রতিদিন আয় হয় ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাজারবিঘী ও ভোলামারী ঘোষপাড়ার নিঃস্ব হওয়া কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, নাজিম এলাকার তরুণ ও ছাত্রসমাজকে জুয়ায় আসক্ত করে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাহাফিজুর রহমান নাজিমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। প্রথমে তার বাবা আনারুল ইসলাম এই বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন। তবে পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশ ঠেকাতে নাজিমের মামা মতিউর রহমান বিএল মুঠোফোনে প্রতিবেদককে ১ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, অনলাইনে জুয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। কেউ এ ধরণের প্লাটফর্ম তৈরি করলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।